প্রেস বিজ্ঞপ্তি
بسم الله الرحمن الرحيم
অত্যাচারী দাম্ভিক শাসক ট্রাম্প এবং তার আশ্রিত অবৈধ ইহুদি রাষ্ট্র ইরানের উপর নৃশংস আক্রমণ শুরু করেছে
(অনুবাদকৃত)
শনিবার আমেরিকা ও অবৈধ ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েল, ইরানের উপর বিস্তৃত পরিসরে যৌথ হামলা শুরু করে। রাজধানী তেহরানসহ কোম, ইসফাহান, কেরমানশাহ, এবং কারাজ-এর মতো বেশ কয়েকটি শহরে বিকট বিস্ফোরণে জনজীবন কেঁপে উঠে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলা শুরুর ঘোষণা দিয়ে বলে: “আমরা ইরানে মাত্রই বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করলাম”। এদিকে ‘ইসরায়েলি’ চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়, “ইসরায়েল” ইরানের কয়েক ডজন সরকারি স্থাপনায় আঘাত হেনেছে” (আল জাজিরা, ২৮/২/২০২৬)। ট্রাম্প বরাবরের মতো তার দাম্ভিক বক্তব্য অব্যাহত রাখে এবং জোর দিয়ে বলে যে, আমেরিকা ও তার সামরিক বাহিনী বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ও পরাক্রমশালী, এবং সে কোনোভাবেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্রের অধিকারী হতে দেবে না। ট্রাম্পের এই বক্তব্য তার আশ্রিত নেতানিয়াহু মুখেও প্রতিধ্বনিত হয়েছে। অপরদিকে, ইরানের পক্ষ থেকে: “ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, নিজের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ইরান তার সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগাবে। আত্মরক্ষার এই ‘সহজাত ও বৈধ অধিকার’ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ইরানের রয়েছে” (আল জাজিরা, ২৮/২/২০২৬)। ইরান অবৈধ ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
এভাবেই আজ ইসরায়েলি ও মার্কিন বাহিনী জল, স্থল ও আকাশপথ থেকে একযোগে ইরানের উপর সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে। এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল দেশটির রাজধানী তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ও সরকারি প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলো। বিশেষ করে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এবং প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ও প্রধান সদর দপ্তরগুলোতে এই শক্তিশালী হামলা চালানো হয়। তাদের প্রাথমিক বিবৃতিতে ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে যে, এই হামলাগুলো চার থেকে দশ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিগুলো ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত তা অনির্দিষ্টকাল ধরে চলতে পারে। “ইসরায়েলি সূত্রগুলো জানিয়েছে যে, হামলার প্রথম পর্যায় চার দিন স্থায়ী হতে পারে এবং এটিকে তারা ২০২৫ সালের জুলাই মাসে অর্থাৎ গত বছরের গ্রীষ্মকালে শুরু হওয়া ১২ দিন ব্যাপী যুদ্ধের ধারাবাহিকতা হিসেবে বিবেচনা করছে। এদিকে, সিবিএস নিউজের তথ্য অনুযায়ী একটি আমেরিকান সূত্র জানিয়েছে যে বর্তমান মার্কিন সামরিক অভিযান প্রায় ১০ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে” (আল-আরাবিয়া, ২৮/২/২০২৬)।
হে মুসলিমগণ:
ইরানের উপর এই বর্বরোচিত হামলা এমন এক সময়ে চালানো হচ্ছে যখন দেশটি আমেরিকার প্রভাব বলয়ের মধ্যেই আবর্তিত হচ্ছিল, এবং ইরাক, আফগানিস্তানসহ এই অঞ্চলের আরও অনেক অংশে আমেরিকার যুদ্ধগুলোতে নানাভাবে সহায়তা প্রদান করছিল। আমেরিকা তখন ইরানের সঙ্গে মিসাইল বা পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়টি উত্থাপন করেনি। বস্তুত, ওবামা ইউরোপীয় দেশগুলোর অংশগ্রহণে ২০১৫ সালে একটি চুক্তি সম্পন্ন করেছিল, যার মাধ্যমে ইরানকে ৩.৬৭% পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অনুমতি দেয়া হয়েছিল। ইরান সেই বছরগুলোতে তুরস্কের মতোই আমেরিকার প্রভাব বলয়ের মধ্যে ছিল। অতঃপর দাম্ভিক ট্রাম্প ক্ষমতায় এসে ইরানকে তার হাতের পুতুলে পরিণত করতে চেয়েছিল; সে চেয়েছিল ইরান হবে এমন এক অনুগত রাষ্ট্র যারা কেবল তার নির্দেশ মানবে এবং তার ইচ্ছা অনুযায়ী কাজ করবে। এই লক্ষ্য হাসিলের জন্য শুরুতে সে ওমানের মাস্কাটে এক চাতুর্যপূর্ণ আলোচনার ফাঁদ পাতে, যা প্রায় পাঁচ রাউন্ড পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল। এরপর শুরু হলো ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি বাহিনীর সেই আক্রমণ, যা ‘১২ দিনের যুদ্ধ’ নামে পরিচিত। ট্রাম্প ঘোষণা করে যে, ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে চালানো মার্কিন হামলা সফল হয়েছে। সে জানায় যে- ফোরদো, নাতাঞ্জ এবং ইসফাহানের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানা হয়েছে। একইসঙ্গে সে ইরানকে যুদ্ধ থামিয়ে শান্তির পথে আসার আহ্বান জানায়। অন্যদিকে, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দাবি করে যে, এই হামলার মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়েছে (বিবিসি, ২২/৬/২০২৫)।
এতসব আক্রমণ চালিয়েও ইরানকে আমেরিকার কক্ষপথে আবর্তনকারী একটি রাষ্ট্র থেকে আজ্ঞাবহ রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব হয়নি। উল্টো এখন ইরানের ভেতর থেকেই এমন কিছু কণ্ঠস্বর শোনা যাচ্ছে- যদিও তা সংখ্যায় কম- যারা আমেরিকার প্রভাব বলয় থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসার দাবি তুলছে। ফলে আমেরিকা আবারও সেই পুরনো আলোচনার চালে ফিরে গেছে। তার মূল লক্ষ্য সেই আগের মতোই- ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি কেড়ে নেওয়া এবং পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করা। প্রথমবার যেমন পাঁচ রাউন্ড আলোচনার পর হামলা চালানো হয়েছিল, এবারও ঠিক একইভাবে মাত্র তিন রাউন্ড আলোচনার পরই আবার আক্রমণ শুরু হলো!
হে মুসলিমগণ:
মুসলিম বিশ্বের শাসকরা আজও অনুধাবন করতে ব্যর্থ যে, কাফির শক্তির সাথে মিত্রতা বা তাদের পদলেহনের পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে। এই আত্মঘাতী নীতি কেবল ইহকালেই লাঞ্ছনা ও অপমান বয়ে আনছে না, বরং পরকালেও এর জন্য কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। ﴿الَّذِينَ يَتَّخِذُونَ الْكَافِرِينَ أَوْلِيَاءَ مِنْ دُونِ الْمُؤْمِنِينَ أَيَبْتَغُونَ عِنْدَهُمُ الْعِزَّةَ فَإِنَّ الْعِزَّةَ لِلَّهِ جَمِيعاً﴾ “যারা মুমিনদের পরিবর্তে কাফিরদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে, তারা কি তাদের কাছে সম্মান ও ক্ষমতা অনুসন্ধান করে? অথচ সমস্ত সম্মান ও ক্ষমতা তো কেবল আল্লাহ্’রই” [আন-নিসা: ১৩৯]।
এই শাসকরা উপলব্ধি করে না যে, উপনিবেশবাদী-কাফির শক্তিগুলো কেবল নিজেদের স্বার্থ বুঝে; দিনরাত তারা ইসলাম ও মুসলিমদের ক্ষতি করার সুযোগ খোঁজে। তারা যদি তাদের প্রভাব বলয়ে থাকা কোনো দেশ বা অনুগত দালালের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করে, তবে বুঝতে হবে তা কোনো কল্যাণ কামনায় নয়। বরং তারা বন্ধুত্বের আড়ালে শত্রুতা গোপন রাখে এবং প্রতিটি পদক্ষেপে অনিষ্টই সাধন করে। মার্কিন প্রভাব বলয়ে আবর্তিত কিংবা তাদের সরাসরি এজেন্ট এই শাসকেরা যদি এই সত্যটুকু অনুধাবন করতো যে, আমেরিকা নিজের স্বার্থ ফুরালে তাদের জঞ্জালের মতো ছুঁড়ে ফেলতে দ্বিধা করে না, তবে তারা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিত। এমন কত শত অনুগত সেবককে আমেরিকা ব্যবহার শেষে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করেছে! এই শাসকদের সামান্যতম কাণ্ডজ্ঞান থাকলেও তারা কাফির শক্তির এই দাসত্বকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করত। কিন্তু তাদের বিবেক আজ অন্ধ, বধির ও বোবা; তারা ভুল পথ থেকে ফিরে আসার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। কাফির উপনিবেশবাদীদের প্রতি তাদের আনুগত্য এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, যখন তাদের কোনো একটি দেশ আক্রান্ত হয়, তখন অন্যরা তার সাহায্যে এগিয়ে আসে না। তাদের সর্বোচ্চ দৌড় হলো কেবল নিহত ও আহতদের সংখ্যা গণনা করা! যেমনটি ইরানের উপর হামলার ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে।
হে মুসলিমগণ:
আপনাদের গৌরব নিহিত রয়েছে আপনাদের খিলাফতে রাশিদাহ্’র প্রত্যাবর্তনের মাঝে। অগ্রগামী দল, হিযবুত তাহ্রীর, তার জনগণের সাথে মিথ্যে বলে না এবং আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা’র ইচ্ছায় খিলাফতে রাশিদাহ্ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইসলামী জীবনব্যবস্থা পুনরায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। এটি প্রকৃতই সেই অগ্রগামী দল যেটি কখনো তার জনগণের সাথে প্রতারণা করে না, যে দলের মাহাত্ম্য চারিদিকে বিকিরিত হয় এবং যারা এর মাহাত্ম্য সহ্য করতে পারে না তারা নিজেরাই নিজেদেরকে দূরে সরিয়ে নেয়। আমরা দলটিকে এভাবেই দেখি এবং আমরা বিশ্বাস করি যে, এই দলের সাথে সম্পৃক্ত প্রতিটি সদস্য অত্যন্ত নিষ্ঠাবান, পরিশ্রমী, ও আন্তরিক, তারা আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা’র ইচ্ছায় ইহকালের চেয়ে পরকালকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দেয়। তারা দিন-রাত্রি আল্লাহ্’র রহমতের আশায় নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, যেন তাদের মাধ্যমেই তাঁর (সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা) প্রতিশ্রুতি এবং তাঁর রাসূলের (সাঃ) দেয়া সুসংবাদ পূর্ণতা পায়। আর আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা’র জন্য এটি সম্পন্ন করা মোটেও কঠিন নয়।
এটিই হলো উম্মাহ্’র মুক্তি, হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার এবং নিজেদের শক্তিকে অপরাজেয় করে তোলার একমাত্র পথ। একমাত্র খিলাফত পারবে শত্রুদের মনে এমন ভীতি তৈরি করতে যে, তারা মুসলিমদের দিকে চোখ তুলে তাকানোর আগে হাজার বার ভাববে। এটা কেবল খিলাফতের প্রত্যাবর্তন এবং এর কল্যাণ ও ন্যায়বিচারের আলোয় পৃথিবী উদ্ভাসিত হওয়ার মাধ্যমে সম্ভব। যেভাবে খিলাফত সিজার, খসরু এবং তাদের সম্প্রদায়ের দম্ভ চূর্ণ করেছিল, ঠিক সেভাবেই এটি বর্তমান সময়ের উদ্ধত ট্রাম্প ও তার মতো কাফির উপনিবেশবাদীদের দম্ভও চূর্ণ করবে।
আর অবৈধ ইহুদি রাষ্ট্রের ব্যাপারে বলা যায়, এটি এতটাই তুচ্ছ যে একে কোনো গুরুত্ব দেয়ার প্রয়োজন নেই, কারণ আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা বলেন: ﴿لَنْ يَضُرُّوكُمْ إِلَّا أَذًى وَإِنْ يُقَاتِلُوكُمْ يُوَلُّوكُمُ الْأَدْبَارَ ثُمَّ لَا يُنْصَرُونَ﴾ “সামান্য কষ্ট দেয়া ছাড়া তারা তোমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। আর যদি তারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়, তবে তারা পৃষ্ঠপ্রদর্শন করবে, অতঃপর তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে না” [সূরা আলি-ইমরান: ১১১]।
এটি নিজের পায়ে শক্তভাবে দাঁড়াতে অক্ষম; অন্যদের সাহায্য ছাড়া এটি লড়াই করার উপযুক্ত নয়, যেমনটি আল-ক্বাবি আল-আজিজ (মহাপরাক্রমশালী, সর্বশক্তিমান) বলেন: ﴿ضُرِبَتْ عَلَيْهِمُ الذِّلَّةُ أَيْنَ مَا ثُقِفُوا إِلَّا بِحَبْلٍ مِنَ اللهِ وَحَبْلٍ مِنَ النَّاسِ﴾ “তারা যেখানেই অবস্থান করুক না কেন, সেখানেই তাদের ভাগ্যে লাঞ্ছনা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে; তবে আল্লাহ্’র পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুতি কিংবা মানুষের দেয়া নিরাপত্তার অধীনে থাকলে ভিন্ন কথা” [সূরা আলি ইমরান: ১১২]।
তারা আল্লাহ্’র রজ্জুকে ছিন্ন করেছে, ফলে তাদের জন্য কেবল মানুষের রজ্জুই অবশিষ্ট রয়েছে- আমেরিকা, ইউরোপ, এবং তাদের এজেন্ট, অর্থাৎ মুসলিম দেশগুলোর বিশ্বাসঘাতক শাসকেরা- যারা ইহুদিদের এই নির্মম আগ্রাসনেও নির্বিকার রয়েছে। মূল সমস্যাটি বর্তমান মুসলিম ভূমিতে বিদ্যমান রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে নিহিত, কারণ সেখানকার শাসকেরা ইসলাম ও মুসলিমদের শত্রু কাফির-উপনিবেশবাদীদের মিত্র হিসেবে কাজ করছে। অতএব, মুসলিম উম্মাহ্’র এই বিপর্যয়ের মূলে রয়েছে তাদের শাসকগোষ্ঠী এবং কাফির-উপনিবেশবাদীদের প্রতি তাদের আনুগত্য। তারা তাদের আদেশ-নিষেধ অনুযায়ী পরিচালিত হয়। অথচ এর পরিবর্তে তাদের উচিত ছিল আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা’র আনুগত্য করা, তাঁর বিধানসমূহ সমুন্নত রাখা, তাঁর পথে জিহাদ করা, এবং তাঁর রাসূলের (সাঃ)-এর আদর্শ অনুসরণ করা। তারা যদি এটা করত তবে ইসলাম ও মুসলিমগণ সম্মানিত হতো, এবং কুফর ও কাফিররা লাঞ্ছিত হতো।
﴿وَيَوْمَئِذٍ يَفْرَحُ الْمُؤْمِنُونَ * بنَصْرِ اللَّهِ يَنْصُرُ مَنْ يَشَاءُ وَهُوَ الْعَزِيزُ الرَّحِيمُ﴾ “আর সেদিন মু‘মিনগণ আনন্দিত হবে * আল্লাহ্ প্রদত্ত বিজয়ে। তিনি যাকে ইচ্ছা বিজয় দান করেন, এবং তিনি মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু” [সূরা আর-রুম: ৪-৫]।
১১ই রমাদান, ১৪৪৭ হিজরি
২৮/২/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
হিযবুত তাহ্রীর